আলুভর্তা, আলুসেদ্ধ কিংবা আলু ভাজি নয়, আলুর গায়ে লেগে থাকা, নতুন সবুজ কাণ্ডের মতো অংশের সঙ্গে, সস্তা কিছু ধাতু ও তার সংযোগ ঘটিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করেছেন তিনি। এজন্য সহকর্মী হিসেবে তার সঙ্গে ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ায় পিএইচডি গবেষণারত অ্যালেক্স গোলবার্গ ও বোরিস রুবিন স্কি। এই দু’জন নিয়ে তাকে গবেষণা করতে হয়েছে কয়েক মাস।
তার দাবি, এ পদ্ধতিতে একটি আলু ব্যবহার করে এলইডি লাইটের মাধ্যমে ৪০দিন পর্যন্ত কোনো ঘর আলোকিত করা যাবে। অল্প খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতেই উদ্ভাবন করা হয়েছে এই পদ্ধতি।
প্রথম ২০১০ সালে আলু থেকে বিদ্যুৎ শক্তি উদ্ভাবনের সিদ্ধান্ত নেন রাবিনোউইচ। এরপর প্রায় ২০ প্রজাতির আলু নিয়ে গবেষণা করেন তিনি। আর চূড়ান্ত গবেষণা শুরু চলতি বছরের মধ্যভাগে। এরপর সত্যি সত্যি উদ্ভাবন করেন আলু-বিদ্যুৎ।
অবশ্য সৌরশক্তির মতো প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে এ ধরনের আবিষ্কার আদৌ কাজে লাগবে কিনা সেই সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
0 comments:
Post a Comment