Saturday, November 30, 2013

এলসি করবেন কি ভাবে ???

এলসি করতে হলে সবার আগে আপনার কোম্পানীর টিন ভ্যাট করাতে হবে। এরপর ব্যংকে গিয়ে কোম্পানীর নামে একাউন্ড খুলতে হবে। তারপর ব্যাংক থেক এলসিএ ফর্ম কালেক্ট করে ফিলাপ করে ব্যাংক এ জমা দিতে হবে। এখানে কিছু ইনফো লাগবে (যেমন : কি পন্য, দাম কত, কোন দেশ থেকে আসবে এসব)।  আমি নীচে ধারাবাহিকভাবে দিচ্ছি আরো বিস্তারিত :


পর্যায় ১ : কোম্পানীর ট্রেড লাইসেন্স,টিন, ভ্যাট করা। আইআর সি (ইমপোর্ট রেজি: সির্টিফিকেট) করা।-পর্যায় ২ : কোন ব্যাংক এ কোম্পানীর একাউন্ট করা।

-পর্যায় ৩ : যে পন্য আনবেন তার ইনডেন্ট কালেক্ট করা (ধরা যাক আপনি ১৫ টন নিউজপ্রিন্ট কাগজ আনবেন কোরিয়া থেকে। এখন যে কোম্পানী থেকে আনবেন সে কোম্পানীর বাংলাদেশ প্রতিনিধির কাছে গিয়ে দাম দর ঠিক করে একটা ডকুমেন্ট নেবেন। এটাই ইনডেন্ট। আর সে কোম্পানীর যদি বাংলাদেশ প্রতিনিধি না থাকে তাহলে সে কোম্পানীতে সরাসরি মেইল করে দাম ঠিক করে ডকুমেন্ট আনাতে হবে। তখন এটাকে বলা হয় পি আই বা প্রফরমা ইনভয়েস। এতে পণ্যের বিস্তারিত, দাম, পোর্ট অব শিপমেন্ট এসব তত্রাদি থাকে।)

-পর্যায় ৪ : ব্যাংক থেকে এলসিএ (লেটার অব ক্রেডিট এপ্লিকেশন) ফর্ম কালেক্ট করে ইনডেন্ট/পিআই অনুযায়ী তা পূরন করে ব্যাংক এ জমা দেয়া।

পর্যায় ৫ : এলসি মার্জিন জমা দেয়া । প্রথম দিকে ব্যাংক এ পুরো টাকাটাই জমা দিতে হবে। ধরা যাক এলসি ভ্যলু ২০,০০০ ডলার। ব্যাংক এ আপনাকে ১৬ লাখ টাকা জমা দিতে হবে। তবে আস্তে আস্তে ব্যাংকের সাথে ব্যবসা বাড়লে তখন ১০-২০% মার্জিন দিয়ে এলসি খুলতে হবে। টাকার সাথে অন্যান্য কিছু ডকুমেন্টও দিতে হবে। যেমন :

- আপনার কোম্পানীর সব কাগজ (ট্রেড লাইসেন্স, টিন, ভ্রাট, আইআরসি)- ইনডেন্ট/পিআই এর ৩/৪ টি কপি।- সাপ্লায়ার কোম্পানীর ব্যাংক ক্রেডিট রিপোর্ট- ইন্সুরেন্স কভার নোট (যে কোন ইন্সুরেন্স কোম্পানীতে ইনডেন্ট দেখিয়ে ফি দিয়ে এটা নিত হবে)

ব্যাস হয়ে গেলো। এরপর ব্যাংক আপনাকে এলসির একটা কপি দেবে। অরিজিনালটা পাঠিয়ে  দেবে বিদেশে সাপ্লাইয়ারের কাছে। কোন প্রশ্ন থাকলে আমাকে করতে পারেন।


# IRC করার প্রসেস কি?
=
IRC করার প্রসেসটা সহজই : মতিঝিলে অবস্থিত C C I & E Office (Chief Controller of Imports & Exports) গিয়ে ফরম নিয়ে আসতে হয়। তারপর নীচের কাগজ সহ জমা দিতে হবে :

- কোম্পানীর ট্রেড লাইসেন্স- কোম্পানীর টিন/ভ্যাট- ব্যাংক ষ্টেটমেন্ট- নিধৃারিত ফি (আমার জানামতে বছরে ১ কোটি টাকা ইমপোর্ট পারমিশন ফি হলো ৩১,০০০ টাকা, আর ৫ কোটি বা তার ওপর হলে ৪০,০০০ টাকা। ফিগারটা একটু এদিক ওদিক হতে পারে)


# সাপ্লায়ার কোম্পানীর ব্যাংক konti??????

=সাপ্লারের ব্যাংক কোনটা সেটা আসলে সাপ্লায়ার না বললে বোঝা যাবেনা। তবে এটি না জানলেও চলে। এলসি পাঠাবার একটা নিয়ম আছে। বাংলাদেশের ব্যাংক এলসি টি সুইফট করে সাপ্লাইয়ারের শহরের (ধরুন সিউল বা সাংহাই) কোন আন্তর্জাতিক ব্যাংক (যেমন : এসসিবি) এ পাঠায়। তারপর সাপ্লায়ারের ঠিকানায় দিতে বলে। সেই বিদেমী ব্যাংক তখন সাপ্লায়ারকে ফোন করে বা মেসেজ দিয়ে এলসি নিয়ে যেতে বলে সাপ্লায়ারকে। আবার অনেক সময় সাপ্লায়ার পিআইতে বলে দেয় যে এই ব্যাংক এ এলসি পাঠাও। আপনার ব্যাংক আচ্ছে করলে সে ব্যাংক এ পাঠাতে পারে আবার নাও পারে। সে অন্য একটি ব্যাংকে এলসি পাঠিয়ে বলে দিতে পারে এ এলসিটা অমুক ব্যাংক এ পাঠাও।


#jodi product e kono problem thake or ami product buje pelam na....bt amar taka already suppliar company te joma hoye geche....sei taka er security ki? or ami kivabe amar taka abar return pete pari....

=
 এ ব্যাপারটা সিকিউর করার জন্য পিএসআই সিসটেম চাল আছে। পিএসআই মানে প্রি শিপমেন ইন্সপেকশন। এটি বাধ্যতামুলক। এলসি করার সময় আপনার ব্যাংক ১% কেটে তা পি এসআই কোম্পানীকে দেবে। এরপর তারা শিপমেন্ট এর আগে পন্য পরীক্ষা করে দেখবে। তারপর সার্টিফিকেট দিলে শিপমেন্ট হবে। তাই সাধারনত পন্য খুব একটা হেরফের হয়না।

এরপরও যদি হয় তাহলে উপয় আছে তা হলো :

পণ্যটি আসার পর আপনি যদি মনে করেন এটি আপনার অর্ডারের পণ্যের চেয়ে খারাপ বা অন্য সস্তা পণ্য আপনি আনার সেই সাপ্লায়ারের লোকাল এজেন্টকে লিখিত কমপ।লেন করুন। তারপর একটা সার্ভেয়ার এনে ফি দিয়ে পন্য পরীক্ষা করে রিপোর্ট নিন। এ রিপোর্ট নিয়ে আপনার ব্যাংকের কাছে সাপ্লায়ারকে দেয়া টাকা ফেরত আনার আবেদন করুন।

বিষয়টি সময়সাপেক্স ও জটিল।

1 comments:

  • Anonymous says:
    September 24, 2014 at 8:45 AM

    We have to learn.

Post a Comment